- Get link
- X
- Other Apps
2016-12-13 11:04:28.0 BdST
- টুইটার থেকে
সৌদি আরবের পুলিশ এক তরুণীকে আটকের কথা জানিয়েছে, যিনি ‘হিজাব ছাড়া’ ছবি তুলে টুইটারে পোস্ট করেছিলেন।
সৌদি আরবের আল শার্ক পত্রিকার বরাত দিয়ে গার্ডিয়ান জানিয়েছে, সোমবার এক বিবৃতিতে পুলিশ ২০ বছর বয়সী ওই তরুণীকে আটক করার কথা জানায়।
সৌদি পুলিশের মুখপাত্র ফায়াজ আল-মাইমান ওই তরুণীর নাম না বললেও, বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইটে তার নাম মালাক আল-শেহরি বলে জানানো হয়েছে।
শেহরি গত মাসে রিয়াদের একটি ব্যস্ত সড়কে মাথায় হিজাব ও মুখে নেকাব ছাড়া ছবি তুলে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে সৌদি আরবের অতি-রক্ষণশীল মুসলমান সমাজে আলোচনার ঝড় ওঠে।
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ‘বিদ্রোহী শেহরির’ গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে হ্যাশট্যাগ চালু হওয়ার পাশাপাশি তার মৃত্যুদণ্ডের দাবিও তোলা হয়।
অনেকে আবার শেহরির সাহসী কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেছেন। কেউ কেউ তাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী অধিকার কর্মী রোজা পার্কের সঙ্গে তুলনা করছেন।
ছবি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার এক পর্যায়ে শেহরি তার টুইটার অ্যাকাউন্ট ডিলিট করে দেন। তারপরও তার নেকাববিহীন ছবি ধর্মীয় পুলিশের নজরে পড়ে বলে গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়।
A Saudi woman went out yesterday without an Abaya or a hijab in Riyadh Saudi Arabia and many Saudis are now demanding her execution.
সৌদি পুলিশ বলছে, রাজতন্ত্রের বিধান অনুযায়ী ‘সাধারণ নৈতিকতা লঙ্ঘন’ করায় শেহরিকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়, আটক নারী রিয়াদ ক্যাফের বাইরে দাঁড়িয়ে মাথায় কাপড় ছাড়া ছবি তুলেছেস, যা সৌদি সমাজে অনুনমোদিত।
তার বিরুদ্ধে ‘প্রকাশ্যে পরপুরুষের সঙ্গে সম্পর্কের কথা’ বলার অভিযোগও আনা হয়েছে, যা সৌদি আইনে নিষিদ্ধ।
রক্ষণশীল সৌদি আইন অনুযায়ী নারীদের ঘরের বাইরে কালো বোরকা, নেকাব ও হিজাব পড়ে থাকতে হয়। গত কয়েকবছর ধরে সেখানে গাড়ি চালানোর অনুমতির দাবি জানিয়ে আসছে নারীরা। সেপ্টেম্বরে হাজারেরও বেশি নারী ‘অভিভাবকত্ব আইন’ বাতিলের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে এক পিটিশনে স্বাক্ষর করেছেন।
সৌদি অভিভাবকত্ব আইন অনুযায়ী, নারীরা তাদের পুরুষ কোনো অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া কোথাও যেতে বা কিছু করতে পারবেন না।
দেশটির রাজপরিবারের কোনো কোনো সদস্যও নারীদের এ দাবিগুলোর প্রতি মৌন সমর্থন দিচ্ছেন। গত মাসের শেষ দিকে সৌদি যুবরাজ আলওয়ালিদ বিন তালাত রীতি ভেঙে নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতির পক্ষে কথা বলেন।
টুইটারে তিনি লেখেন- “বিতর্ক বন্ধ হোক। এখন সৌদি নারীদের গাড়ি চালানোর সময়।”



Comments
Post a Comment
Thanks for you comment