ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে যেই বিদেশীরা আমাদের ঔষধ শিল্প দখল করে রেখেছিল আজ সেই বাংলাদেশ নিজেদের চাহিদা পূরণ করে তাদের কাছেই ঔষধ রপ্তানি করছে, এই ছোট্ট কথা থেকে বুঝা যায় আমাদের ঔষধ শিল্পে কতটা বিপ্লব ঘটেছে, যার কারনে আজ বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পের পরেই ঔষধ শিল্পের অবস্থান। আজ বাংলাদেশের ঔষধের গুণগত মান এতটাই ভালো হচ্ছে যে ইউরোপ আমেরিকার মত দেশ আমাদের থেকে ঔষধ নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে, আর এই সকল সফলতার একটি মাত্র কারন হল আমাদের ফার্মাসিস্ট, আজ বাংলাদেশের সরকারি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ফার্মেসিতে গুণগত এবং মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের কারনেই আজ ফার্মাসিস্টরা তাদের দক্ষতার প্রমাণ রাখতে পারছে।
বর্তমানে প্রচুর ফার্মাসিউটিকাল কোম্পানি থাকা সত্ত্বেও প্রতি বছর অধিক সংখ্যক ফার্মাসিস্ট তাদের গ্রেজুয়েশন সম্পন্ন করায় চাকরির বাজারটা অনেক বেশি কঠিন হয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে বিদেশে উচ্চশিক্ষা আমাদের কাছে need থেকে want এ রূপান্তরিত হয়েছে, তাই আমরা অনেকে উন্নত ক্যারিয়ারের জন্য বিদেশে উচ্চ শিক্ষাকে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করি।
যাই হোক আমি আসল কথা বাদ দিয়ে অন্য প্রসঙ্গে চলে যাচ্ছি………
আমরা জানি জার্মানি হচ্ছে ইঞ্জিনিয়ারিং এর গুরু, কিন্তু মেডিকেল সায়েন্স ও জার্মানি কোন অংশে কম নয়, তাই অল্প কথাই বলতে চাই ফার্মাসিস্টদের জন্য জার্মানি হতে পারে ক্যারিয়ার গড়ার উত্তম একটা স্থান। আমি ফার্মেসির ছাত্র হিসাবে বলতে চাই- আমরা অনেকেই খুব বেশি ব্যাস্ত থাকি M.Pharm নিয়ে, অনেকেই মনে করেন আমি বিদেশে M.Pharm করবো, কিন্তু আমরা যদি একটু অন্য ভাবে চিন্তা করি যে, আমি ব্যাচেলর অফ ফার্মেসি সম্পন্ন করে হেল্থ সায়েন্স এর যে কোন বিষয়ে মাস্টার্স করবো তাহলে কিন্তু আমরা আমাদের ক্যারিয়ারকে আরও ছড়িয়ে দিতে পারি, আমরা যদি মেডিকেল সায়েন্সের যে কোন বিষয়ে মাস্টার্স করি তাহলে ফার্মাসিউটিকাল কোম্পানি ছাড়াও বিভিন্ন রিসার্চ ইন্সিটিউট, বিভিন্ন ফুড কোম্পানি, সহ মেডিকেল সায়েন্সের বিভিন্ন স্থানে আমাদের ক্যারিয়ার গড়তে পারি, যেই সুযোগটা জার্মানিতে অনেক বেশি, আমরা যদি সঠিকভাবে পরিশ্রম করতে পারি আমি মনে করি ইনশাআল্লাহ্ অবশ্যই সম্ভব।
তো এইবার আসি আসল কথায়, জার্মানির কোন বিশ্ববিদ্যালয় এবং কোন বিষয়ের উপর আমরা মাস্টার্স করতে পারবো? আসলে আমরা একটু সময় নিয়ে যদি ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করি সহজে খুঁজে নিতে পারি, তবুও আমি নিজে ঘাটাঘাটি করে যতটুকু পেয়েছি তা সকলকে জানাতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি।
আমরা অনেকেই জানি জার্মানির সকল বিশ্ববিদ্যালযয়ের মান প্রায় সমান, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কয়টি ভাগে বিভক্ত। তার মধ্যে কিছু আছে শুধু মাস্টার্স পর্যন্ত করতে পারবো কিছু আছে মাস্টার্স, পিএইচডি এবং রিসার্চ।
আমি বিষয় ভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালযয়গুলোর লিংক দিয়েছি, আমাদের প্রথম কাজ হবে ঐ লিংকে গিয়ে অ্যাডমিশন অফিসে যোগাযোগ করা, কোর্স কোঅর্ডিনেটরকে ইমেইল করা। ইমেইলে যোগাযোগ করার সিস্টেম হয়তো আমরা সকলেই জানি, তাদের কোর্সে ভর্তি হতে কি কি যোগ্যতা লাগে ভালো করে দেখে নিতে হবে তারপর সেই যোগ্যতা অর্জনের জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করতে হবে। বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে IELTS স্কোর লাগবে, যেটা 6.0 to 7.0 থাকলেই আমরা বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাপ্লাই করতে পারবো। বিষয় ভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়ের লিংকঃ
mongsai79@gmail.com
Comments
Post a Comment
Thanks for you comment